বিএসটিআইয়ের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে তেল বিক্রি তানাকা পাম্পে

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি :
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

 

ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে কেরানীগঞ্জের তানাকা পেট্রোল পাম্পের দুটি ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞার পরও বন্ধ ইউনিট ব্যবহার করে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, জ্বালানি তেল বিক্রির সময় নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়ার অভিযোগ পেয়ে সম্প্রতি তানাকা পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করে বিএসটিআই ঢাকা কার্যালয়ের একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে পাম্পের বিভিন্ন ডিসপেন্সিং ইউনিটের পরিমাপক যন্ত্র পরীক্ষা করেন বিএসটিআই কর্মকর্তারা। সংস্থাটির দাবি, পরীক্ষায় নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম তেল সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি ও আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি ধরা পড়ে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর ১৫(৩) ধারা অনুযায়ী পাম্পটির দুটি ডিসপেন্সিং ইউনিটের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্ধ ইউনিট দুটি ব্যবহার না করার জন্য পাম্প কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক হাসিবুর রহমান বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো পেট্রোল পাম্পে ডিজিটাল মিটারে কারচুপি বা পরিমাণে কম তেল দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযানের সময় বিএসটিআইয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ উঠেছে, বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা অমান্য করে বন্ধ করে দেওয়া ইউনিট থেকেই আবারও তেল বিক্রি করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই ইউনিট চালু করে জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় ভোক্তারা।

তাদের দাবি, বিএসটিআইয়ের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত