সিন্ডিকেটের ফাঁদে কুয়েতের ভিসা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে কাজের ভিসা প্রসেসিং সিন্ডিকেটের প্রধান আব্দুস সালাম আরেফকে তলব করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগীতা কমিশন। নির্ধারিত ভিসা ফি ৫ হাজার ৩০০ টাকার পরিবর্তে তিনি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা নেওয়া ও গ্রুপ টিকিট মজুদ করে উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগে কমিশন তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আরেফ দীর্ঘদিন ধরে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কুয়েতে কাজের ভিসা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে। দেশজুড়ে প্রায় দুই হাজার ৯শ’ বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে মাত্র ১৪–১৫টি এই সিন্ডিকেটে সক্রিয়।

 

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার কর্মী কুয়েতে ভিসা নিয়ে পাড়ি জমিয়েছেন। এ সময় সিন্ডিকেট ভিসা ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছে।

 

আরেফ মর্ডান ওভারসীজ লিমিটেড ও এয়ার স্পীড প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সংগঠন আসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) এর সভাপতি থেকেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত আগস্টে তার নেতৃত্বাধীন কমিটি বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়।

 

প্রতিযোগীতা কমিশনের পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে, ৮ জানুয়ারি নির্ধারিত সময়ে তিনি বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত না হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। এছাড়া আরেফের বিরুদ্ধে উড়োজাহাজের গ্রুপ টিকিট মজুদ করে উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। অনুসন্ধান কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ ইকতিদার আলম।

 

রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা দাবি করেছেন, এই সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য মর্ডান ওভারসীজের লাইসেন্স বাতিল করা উচিত।

 

যদি চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত ও পাঠযোগ্য শীর্ষকসহ যুগান্তর ফরম্যাটের হাইলাইট নিউজ আকারে রূপান্তর করতে পারি, যেন মূল বিষয়গুলো আরও চোখে পড়ে। আপনি কি সেটা চাইবেন?

এলাকার খবর

সম্পর্কিত