ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি থ্রি লায়নস। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরুতে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। সেই ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধে একাধিক আক্রমণ চালালেও সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে ইংল্যান্ড। এর ফল আসে ৭৫তম মিনিটে। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
সমতায় ফেরার পরও আক্রমণ থামায়নি ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন কেইন। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানই ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে থ্রি লায়নস।
এই জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। আগামী ৬ জুলাই নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।
এদিকে এই জয়ের মাধ্যমে একটি দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান ঘটাল ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল তারা। সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক অধিনায়ক হ্যারি কেইন। অন্যদিকে দুর্দান্ত লড়াই করেও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।