কালিয়াকৈরে জমি দখল নিয়ে উত্তেজনা ফিলিং স্টেশন না কলেজ—কার দখলে চন্দ্রার বিতর্কিত জমি?

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) সংবাদদাতা :
 ছবি: সংগৃহীত ছবি
ছবি: সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকায় একটি জমিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। একটি ফিলিং স্টেশনের জন্য বরাদ্দকৃত জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাশের একটি সরকারি কলেজের বিরুদ্ধে। পাল্টা অবস্থান নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষও। ফলে বিষয়টি এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যবসায়ী আকতার হোসেন অভিযোগ করেন, ১৯৯১ সালে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর ডানকিনি মৌজায় ৯৭৮/৯১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ৯৯ বছরের জন্য তার মালিকানাধীন মেসার্স চন্দ্রা ফিলিং স্টেশন-এর নামে জমিটি লিজ দেয়। দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈধভাবে জমিটি ভোগদখল করে আসছিলেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সময় ফিলিং স্টেশনটি স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা মেনে পাশের একটি জমিতে মাটি ভরাট করে নতুন স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে বাধার মুখে পড়েন তারা। অভিযোগ, চন্দ্রা সরকারি কলেজের কয়েকজন শিক্ষক এতে আপত্তি জানান এবং একপর্যায়ে রাতারাতি টিনের বাউন্ডারি তুলে জমিটি নিজেদের দখলে নেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে আকতার হোসেন আদালতের শরণাপন্ন হন। বর্তমানে কলেজের তিনজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি গাজীপুর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৯ মার্চ কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। তারা জমিটির মালিকানা নিজেদের দাবি করে আসছেন বলে জানা গেছে।

এ অবস্থায় জমিটির প্রকৃত মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনের লিজকৃত জমি, নাকি কলেজের দখল—এ প্রশ্নের উত্তর জানতে এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে স্থানীয়রা।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত