উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ হিসেবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জাপান। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এপ্রিল, জুলাই ও সেপ্টেম্বর সেমিস্টারে নেক্সাস গ্রুপের মাধ্যমে মোট ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা পেয়েছেন।
এ সাফল্য উদযাপন, শিক্ষার্থীদের হাতে ভিসাসহ পাসপোর্ট তুলে দেওয়া এবং জাপানে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে নেক্সাস গ্রুপ (NEXUS-NPI Education and Training Institute) আয়োজন করে ‘জাপানে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গঠনের স্বপ্ন পূরণের মিলনমেলা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে জাপান থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্য দেন নেক্সাস গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান। তিনি জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল সেমিস্টারে ২৫০ জন, জুলাই সেমিস্টারে ৯৬ জন এবং সেপ্টেম্বর সেমিস্টারে ১৪২ জন শিক্ষার্থী জাপানের ভিসা পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এইড ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির চিফ অপারেশনাল অফিসার ইউয়া নাগা কিকুও সান। তিনি বলেন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী জাপানে যাচ্ছে। সে তুলনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এখনো পিছিয়ে রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ও নেক্সাস এনপিআইয়ের ডিরেক্টর প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান এবং ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস আলী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নেক্সাস গ্রুপের ডিরেক্টর মাহমুদা রহমান, নেক্সাস-এনপিআইয়ের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিয়াউল ইসলাম, সিইও মাসুদুল হাসান জায়েদীসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা।
নেক্সাস গ্রুপ জানায়, শিক্ষার্থীদের জাপানযাত্রা সহজ ও সুসংগঠিত করতে প্রায় এক দশক ধরে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এইচএসসি ও ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থীদের জন্য সাত মাসের বিনামূল্যের প্রস্তুতিমূলক কোর্স পরিচালনা করা হয়। এতে N5 ও N4 লেভেলের জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এম্বাসি ইন্টারভিউ, পার্ট-টাইম জব ইন্টারভিউ এবং সিভি রাইটিংয়ের প্রস্তুতি দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ফাইল ওপেনিং চার্জ ছাড়া ভিসা প্রসেসিং, ব্যাংক সাপোর্ট এবং জাপানে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে অভ্যর্থনা, থাকার ব্যবস্থা ও পার্ট-টাইম কাজের সহযোগিতাসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সফল শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসাসহ পাসপোর্ট তুলে দেওয়া হয়। পরে বুফে লাঞ্চের মধ্য দিয়ে শেষ হয় আয়োজন।